মেনু নির্বাচন করুন
দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ, সৌন্দর্য্যের অপার লীলাভূমি, হযরত শাহজালাল (রহ.) এবং হযরত শাহপরাণ (রহ.) এর স্মৃতিবিজরিত পূণ্যভূমি, নগরীর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নাইওরপুল পয়েন্টে ২০০৬ সনের ২৬ অক্টোবর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) ০৬টি থানা, ০৬টি পুলিশ ফাঁড়ি (বন্দরবাজার, লামাবাজার, শিবের বাজার, আম্বরখানা, সোবহানীঘাট, দক্ষিণ সুরমা) এবং ০২ টি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র (হযরত শাহজালাল (রহ.) তদন্ত কেন্দ্র ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) তদন্ত কেন্দ্র) নিয়ে গঠিত। তাছাড়া ০২টি উপজেলা (সদর ও দক্ষিণ সুরমা), সিলেট সিটিকর্পোরেশনের বাইরে ১৭টি ইউনিয়নও এসএমপি’র কার্যালয়ের আওতাধীন। আয়তনে ৫১৮.৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে এসএমপি বাংলাদেশের বৃহত্তম মেট্রো। ২০০৬ সালে এসএমপি’র প্রতিষ্ঠালগ্নে নন পুলিশসহ এপর্যন্ত ১৫৭৫ জন জনবল নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা এসএমপি। হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) প্রমুখ ৩৬০ জন আওলিয়ার মাজার এখানে অবস্থিত। ১টি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৫টি মেডিকেল কলেজ, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১টি ক্যাডেট কলেজ, ১টি বন মহা বিদ্যালয়, ১টি সেনানিবাস, ১টি রেলওয়ে স্টেশন, ৩টি গ্যাসফিল্ড, বিজিবি সেক্টর হেডকোয়ার্টার্স, ১৩টি চা বাগান, ৫৬০টি গ্রাম, ৩৬টি হাটবাজার, ২৩টি মাদ্রাসা, ৯৯৭টি মসজিদ, ১১৩টি পূজামন্ডপ, ১টি পলিটেকনিক কলেজসহ বিভাগীয় শহর হিসেবে সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং মিডিয়া অফিস অবস্থিত।

সাধারণ তথ্য

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
মো: কামরুল আহসানপুলিশ কমিশনার ০৮২১৭২৭৮৮৭pcsmp@police.gov.bd
এস এম রোকন উদ্দিনঅতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অতি: ডিআইজি)০৮২১-৭২১৫৯৭০১৭১৩-৩৭৪৫০৭addIpcsmp@police.gov.bd
মো: রেজাউল করিম উপ-পুলিশ কমিশনার, সদর০১৭১৩-৩৭৪৫০৮dchqsmp@police.gov.bd
মোহাম্মদ জাবেদুর রহমানঅতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সদর০১৭৬৯৬৯০৪৮৫jabedrah@gmail.com
মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামঅতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার০৮২১৭২৮৭৩৭০১৭৬৯৬৯০৪৮৭adccsb.smp@gmail.com
মো. জেদান আল মুসা অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার০৮২১৭১৬৮৯১০১৭১৩৩৭৪৫১৩zadenlabiba1978@yahoo.com
নিকুলিন চাকমাঅতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার০১৭৬৯৬৯০৪৮৬chakmanikulin@gmail.com
ফাল্গুনী পুরকায়স্থসিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার০১৭১৫৭৪৬০০১falgunipurkayastha@gmail.com
চৌধুরী মো. আবু কয়ছরপুলিশ পরিদর্শক০৮২১৭১৮৯৪৫০১৭১৩৩৭৪৩৮৬cio-1csb.smp@gmail.com
এনামুল মনোয়ারপুলিশ পরিদর্শক০১৭১১৮৩৮৫৩২manir.syl@gmail.com
মো: মুরসালিনপুলিশ পরিদর্শক (ডিবি)০১৭২০০০২৯৫২manir.syl@gmail.com
মো: সাদিক মজিবুর রহমানপুলিশ পরিদর্শক (ডিবি)০১৭২৮৩৬২৩৯৭manir.syl@gmail.com
বিমল চন্দ্র সরকারপ্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)০১৬৭১৬২১৮৩৮manir.syl@gmail.com
শেখ আহম্মদ কবিরহিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত)০১১৯৬০৩০০৯৫manir.syl@gmail.com

কর্মচারীবৃন্দ

ছবিনামপদবি
মো: নজরুল ইসলামপ্রধান সহকারী
মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফাস্টেনোগ্রাফার
মো: সিরাজুল ইসলামউচ্চমান সহকারী
মো: খালেদ চৌধুরীসাব-ইন্সপেক্টর
মো: শাহ ফজলে আজিম পাটোয়ারীসাব-ইন্সপেক্টর
তোফায়েল আহমদসাব-ইন্সপেক্টর
মো: আতিকুর রহমানসাব-ইন্সপেক্টর
মো: আমিনুল হকসাব-ইন্সপেক্টর
মো: জসিম উদ্দিনসাব-ইন্সপেক্টর
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (মনির)সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর
মো: আব্দুল হান্নানসহকারী সাব-ইন্সপেক্টর
মো: আ: হামিদসহকারী সাব-ইন্সপেক্টর
চন্দ্র শেখর বড়ুয়াসহকারী সাব-ইন্সপেক্টর

প্রকল্পসমূহ

নেই

যোগাযোগ

মোঃ রওশনুজ্জামান সিদ্দিকী

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর)

পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, নাইওরপুল, সিলেট

ফোন: ০৮২১৭২৮৭৩৭, ফ্যাক্স: ০৮২১৭১৭৭১৭

মোবাইল :০১৭৬৯৬৯০৪৮৭

ই-মেইল: adccsb.smp@gmail.com

 

সহায়ক:

মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (মনির)

এএসআই

পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, নাইওরপুল, সিলেট

মোবাইল: ০১৭১৪৩৩১১৭৯

ই-মেইল: manir.syl@gmail.com

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ক্রমিক

নং

সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা / কর্মচারী

সংক্ষেপে সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় সময় ও খরচ

সংশ্লিষ্ট আই-কানুন

/ বিধি-বিধান/ নীতিমালা

নির্দিষ্ট সেবা পেতে

ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিকারকারী কর্মকর্তা

০১

সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

সাধারণ ডায়েরি করার জন্য ওসি বরাবর আবেদন করে থানার ডিউটি অফিসারের নিকট দাখিল করতে হয়। ডিউটি অফিসার আবেদনটি সাধারণ ডায়েরি রেজিস্টারে এন্ট্রি দিয়ে আবেদনকারীকে জিডি নং প্রদান করে থাকেন। ডিউটি অফিসার আবেদনটি ওসি’র নিকট উপস্থাপন করেন। ওসি তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদেন্তর ব্যবস্থা করেন। তদন্তের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে এখতিয়ারভুক্ত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন অন্যথায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ/ আদালতে রেফার করেন।

১ ঘণ্টা থেকে ৭দিন ; বিনামূল্যে 

১। সি আর পি সি/১৮৯৮ -১৫৪, ১৫৫ ধারা 

২। পিআরবি /১৯৪৩ - ৩৭৭ বিধি

৩। পুলিশ আইন /১৮৬১- ৪৪ ধারা

সাকের্ল এএসপি

০২

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান

এসপি ডিএসবি/ অফিসার ইন চার্জ(O.C)

সোনালী ব্যাংক/ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ৫০০/- টাকার ট্রেজারি চালানসহ এসপি বরাবর আবেদন দাখিল করতে হয়। দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট ওসি / থানায় তদন্ত করার জন্য এসআই-কে নির্দেশ প্রদান করেন। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ প্রদানের উপযুক্ত হলে প্রস্তুত করা হয় অন্যথায় বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিস্বাক্ষরের জন্য পুলিশ সুপার  নিকট প্রেরণ করা হয়। পুলিশ সুপার প্রতিস্বাক্ষর করে ওসি’র নিকট ওয়ানস্টপ সেন্টারে প্রেরণ করেন। থানা ওয়ানস্টপ সেন্টার থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ আবদেনকারী সংগ্রহ করেন।

৫-৭ দিন ;      ৫০০ টাকা

 

ডিএসবি নির্দেশিকা

 থানার ক্ষেত্রে সার্কেল এএসপি

এস পি অফিসের ক্ষেত্রে ডিআইজি 

০৩

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখা

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক ব্যাক্তিগত ভাবে অথবা সরকারি নির্দেশে অস্ত্রটি থানাতে জমা দিতে আসলে প্রথমে একটি আবেদন করতে হয়। ডিউটি অফিসার আস্ত্রের কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করে বিস্তারিত তথ্যাদি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে জিডি নং দিয়ে আবেদনকারীকে একটি কপি বুঝিয়ে দেন। অত:পর বৈধ অস্ত্রটি থানার মালখানায় নিরাপদ হেফাজতে রাখার ব্যবস্থা করেন। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ে জিডির কপিটি দাখিল সাপেক্ষে আস্ত্রটি নিজের হেফাজতে নিতে পারেন।

৩০-৬০ মিনিট; বিনামূল্যে 

 

অস্ত্র আইনের-১৮৭৮ এর ১৬ ধারা 

সাকের্ল এএস পি

০৪

মিছিল, সভা, সমাবেশ, মাইক ব্যবহারের অনুমতি প্রদান

এসপি ডিএসবি/ অফিসার ইন চার্জ (OC)

আবেদনকারীকে মিছিল, সভা, সমাবেশ, মাইক ব্যবহার ইত্যাদির অনুমতির জন্য পুলিশ সুপার (এসপি) বরাবর আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নির্দেশ দেন। ওসি তদন্ত করে এসপি’র নিকট প্রেরণ করেন। প্রাপ্ত তদন্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করা হয় অথবা অনুমতি প্রদান সম্ভব নয় মর্মে জানিয়ে দেন।

৪-৭ দিন; বিনামূল্যে 

 

১। সিআরপিসি / ১৮৯৮-১২৭, ১২৮, ১২৯ ধারা

২। পুলিশ আইনের/১৮৬১ - ৩০, ৩১, ৩২ ধারা

ডিআইজি

ইভ টিজিং, মোবাইল ফোনে উত্যক্তকরণ, বা হুমকি প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ

অফিসার ইন চার্জ(OC)

ইভ টিজিং, মোবাইল ফোনে উত্যক্তকরণ, বা হুমকি প্রদান ইত্যাদি ঘটনার প্রেক্ষিতে অফিসার ইন চার্জ বরাবর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে আবেদন করতে হয়। ডিউটি অফিসার আবদনের প্রেক্ষিতে সাধারণ ডায়েরি করেন এবং ওসি’র নিকট বিষয়টি উথ্থাপন করেন। ওসি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য অফিসারকে নির্দেশ দেন। মোবাইল ফোনে উত্যক্ত করার বিষয়টি উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজনে টেকনোলজি ব্যবহারসহ মোবাইল অপারেটরের সহায়তা গ্রহণ করা হয়। এভাবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়।

১ ঘণ্টা থেকে ২/৩ দিন ; বিনামূল্যে 

 

১। সিআরপিসি -১৮৯৮/১০৭ ধারা

২। দন্ড বিধি/১৮৬০- ৫০৬, ৩৮৭, ৩৮৬, ৩৮৫ ধারা

৩। পিআরবি-১৯৪৩/৩৭৭

সাকের্ল এএসপি

মানি এসকর্ট, পণ্য এসকর্ট প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়োগ সংক্রান্ত

এসপি ডিএসবি/ অফিসার ইন চার্জ(OC

মানি এসকর্ট, পণ্য এসকর্ট প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়োগের জন্য পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার আবেদনের বিষয়টি যাচাই-এর জন্য ওসি-কে নির্দেশ দেন। ওসি’র প্রতিবেদন/ সুপারিশের প্রেক্ষিতে এসপি এতদসংক্রান্ত অনুমতি প্রদান করে ফোর্স/পুলিশ নিয়োগ দেন অথবা আবেদন না মঞ্জুর করেন।

২-৩ দিন ; বিনামূল্যে 

 

১। পুলিশ আইন/১৮৬১- ২৩ ধারা 

১। পিআরবি/১৯৪৩-  ৩৭৭

সাকের্ল এ এস পি

টেন্ডার ড্রপ, পরীক্ষানুষ্ঠান প্রভৃতি ক্ষেত্রে (অতিরিক্ত) পুলিশ নিয়োগ

এসপি ডিএসবি/ অফিসার ইন চার্জ (OC)

টেন্ডার ড্রপ, পরীক্ষানুষ্ঠান প্রভৃতি ক্ষেত্রে (অতিরিক্ত) পুলিশ নিয়োগের লক্ষ্যে পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করতে হয়। পুলিশ সুপার অফিসার ইন চার্জের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে অথবা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পুলিশ ফোর্স নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

২-৩ দিন; বিনামূল্যে 

 

১। পুলিশ আইন/১৯৬১-  ৩১  ধারা

 

সাকের্ল এএসপি /ডিআইজি

 ০

হারানো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মটর সাইকেল প্রভৃতি উদ্ধার সংক্রান্ত

অফিসার ইন চার্জ(OC)/ ডিউটি অফিসার (DO)

মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মটর সাইকেল প্রভৃতি হারানো গেলে ওসি বরাবর লিখিত আবেদন করতে হয়। আবেদন প্রাপ্তির পর ডিউটি অফিসার  জিডি হিসেবে এন্ট্রি দিয়ে আবেদনকারীকে জিডি নং দেন এবং আবেদনটি ওসির নিকট উপস্থাপন করেন। ওসি তাৎক্ষণিক কর্মকর্তা নিয়োগ করে তদন্ত/ মালামাল উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। মালামাল উদ্ধার হলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত প্রাপকের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

২-৭ দিন ; বিনামূল্যে 

 

পিআরবি/১৯৪৩- ৩৭৭ বিধি

 

সাকের্ল এ এস পি

প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা

সেবা ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবার পর্যায়

(উপজেলা)

১।

সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ

উপজেলা

২।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান

জেলা/উপজেলা

৩।

বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা রাখা

উপজেলা

৪।

মিছিল, সভা, সমাবেশের অনুমতি প্রদান

জেলা/উপজেলা

৫।

মোবাইল ফোনে উত্যক্তকরণ বা হুমকি বিষয়ক অভিযোগ গ্রহণ

উপজেলা

৬।

মানি এসকর্ট, পণ্য এসকর্ট প্রভৃতি ক্ষেত্রে পুলিশ নিয়োগের চাহিদা পূরণ

জেলা/উপজেলা

৭।

টেন্ডার ড্রপ, পরীক্ষা অনুষ্ঠান প্রভৃতি ক্ষেত্রে (অতিরিক্ত) পুলিশ নিয়োগের চাহিদা পূরণ

জেলা/উপজেলা

৮।

হারানো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মটর সাইকেল প্রভৃতি উদ্ধার সংক্রান্ত

উপজেলা

তথ্য অধিকার

সিটিজেন চার্টার

সিটিজেন চার্টার

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, সিলেট।

 

  1. বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের সেবাপ্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
  2. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক/সামাজিক/অর্থনৈতিক শ্রেণী নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি থানায় সকল নাগরিকের সমান আইনগত অধিকার লাভের সুযোগ রয়েছে।
  3. থানায় আগত সাহায্যপ্রার্থীদের আগে আসা ব্যক্তির আগে সেবা প্রদান করা হবে।
  4. থানায় সাহায্যপ্রার্থী সকল ব্যক্তিকে থানা পুলিশ সম্মান প্রদর্শন করবে এবং সম্মানসূচক সম্বোধন করবে।
  5. থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে এবং আবেদনের ২য় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট অফিসারের নাম, সিলমোহরসহ তা আবেদনকারীকে প্রদান করতে হবে। বর্ণিত জিডি সংক্রান্ত বিষয়ে যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং গৃহীত ব্যবস্থা পুনঃরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।
  6. থানায় মামলা করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত বক্তব্য অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহারভূক্ত করবে এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখ ও ধারা এবং তদন্তকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করবে। তদন্তকারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাঁকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং তদমত্ম সমাপ্ত হলে তাঁকে ফলাফল লিখিতভাবে জানিয়ে দিবে।
  7. থানায় মামলা করতে আসা কোন ব্যক্তি মামলা অফিসার ইনচার্জ/ডিউটি অফিসার এন্ট্রি করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তখন উক্ত বিষয়টির উপর প্রতিকার চেয়ে নিমণবর্ণিত নিয়মানুযায়ী আবেদন করবেনঃ

ক) মেট্রোপলিটন এলাকায় সহকারী পুলিশ কমিশনার  (জোন)/জেলায় সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) এর নিকট আবেদন করবেন।

খ) তিনি যদি উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তাহলে উক্ত ব্যক্তি ডেপুটি পুলিশ কমিশনার/ জেলা পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করবেন।

গ) অতঃপর তিনিও যদি উক্ত ব্যক্তির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তাহলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনার/ডিআইজি’র নিকট আবেদন করবেন।

ঘ) তাঁরা কেউ যদি উক্ত বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহা-পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) নিকট উক্ত বিষয়ের প্রতিকার চেয়ে আবেদন করবেন।

  1. আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং এ বিষয়ে থানা সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করবে।
  2. শিশু/কিশোর অপরাধী সংক্রান্ত বিষয়ে শিশু আইন ১৯৭৪ এর বিধান অনুসরণ করা হবে এবং তাঁরা যাতে কোন ভাবেই বয়স্ক অপরাধীর সংস্পর্শে না আসতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে। এজন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে কিশোর হাজতখানার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  3. মহিলা আসামি/ভিকটিমকে যথাসম্ভব মহিলা পুলিশের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
  4. দেশের কিছু সংখ্যক থানায় ওয়ানস্টপ ডেলিভারি সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উক্ত ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টার দেশে সকল থানায় প্রবর্তন করা হবে।
  5. আহত/মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ভিকটিমকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার চালু করা হবে।
  6. পাসপোর্ট/ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তীর ০৩ (তিন) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে থানা হতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।
  7. থানা হতে বর্ণিত আইনগত সহযোগিতা পাওয়া না গেলে বা কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ:-

ক) লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তীর ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা অভিযোগকারীকে অবহিত করবেন।

খ) ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়া ব্যক্তির বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনবেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা অভিযোগকারী জানাবেন।

গ)  টেলিফোনে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

  1. সকল থানায় মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য কমিশনার, অতিঃ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট জয়েন কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার এবং জোনাল সহকারী পুলিশ কমিশনার এবং জেলার জন্য পুলিশ সুপার, অতিঃ পুলিশ সুপার, এএসপি (হেডকোয়ার্টার্স), সংশ্লিষ্ট সার্কেল এএসপি এবং অফিসার ইনচার্জ এর টেলিফোন নম্বর থানায় প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শিত হবে।
  2. মেট্রোপলিটন ও জেলায় কর্তব্যরত সকল পর্যায়ে অফিসারগণ প্রতিটি কার্যদিবসে নির্ধারিত সময়ে সকল সাহায্যপ্রার্থীকে সাহায্য প্রদান করবে।
  3. থানা পুলিশ সদস্যগণ কমিউনিটির সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং কমিউনিটি ওরিয়েন্টেড পুলিশ সার্ভিস চালু করবেন।
  4. উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত কমিউনিটির সাথে অপরাধ দমনমূলক/জনসংযোগমূলক সভা করবেন এবং সামাজিক সমস্যাসমূহের আইনগত সমাধানের প্রয়াস চালাবেন।
  5. বিদেশে চাকুরী/উচ্চ শিক্ষার জন্য গমনেচ্ছু প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করবে।
  6. ব্যাংক হতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমাণ টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরাপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কটের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  7. মেট্রোপলিটন শহর/ জেলা শহরে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ, ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট কি কি সেবা প্রদান করেছে তা প্রকাশ্যস্থানে প্রদর্শিত হবে।

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার